শিরোনাম

প্রিয় জাপানের বিদায়।। এশিয়াবাসী হতাশ

ভালো খেলেও বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়া জাপানকে নিয়ে কথাসাহিত্যিক জাপান প্রবাসী জুয়েল আহ্সান কামরুল এর লেখা। তার ফেসবুক আইডি হতে  নেয়া তার লেখাটি তুলে ধরা হলো:-

এই তো সেদিনের গল্প- জাপান ১৯৯৮ সাল থেকে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলতে শুরু করেছে। ২০০২ সালে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া মিলে বিশ্বকাপ ফুটবলের স্বাগতিক দেশের ভূমিকা পালন করেছিল!
১৯৯৮ সাল থেকে এই পর্যন্ত প্রতিটি বিশ্বকাপেই জাপান অংশগ্রহণ করার সুযোগ করে নিয়েছে। এই ছয়টি বিশ্বকাপে- তিনবার দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছিল। দ্বিতীয় রাউন্ডে ২০০২ সালে তুরস্কের সঙ্গে ০-১ এ, ২০১০ সালে প্যারাগুয়ের সঙ্গে টাইব্রেকারে এবং ২০১৮ সালে গতকাল বেলজিয়ামের সঙ্গে ২-৩ এ হেরে গেছে। অথচ এই বেলজিয়ামের সঙ্গে ২০০২ সালে প্রথম রাউন্ডে ২-২ এ ড্র করেছিলো জাপান। এবারের বেলজিয়াম দলটি যদিও সম্পূর্ণ অন্যরকম!

দুঃখজনক, দ্বিতীয় রাউন্ডের দেয়াল এবারও পার হতে পারলো না জাপান!
গতকাল খেলা শেষে জাপানের মধ্যমাঠের খেলোয়াড় ইনুই চোখের জল ফেলে বললেন- আমরা পারলাম না, তবে আমাদের আগামী যুবকরা পারবে।

বন্ধুরা, এবার আমার নিজের কথায় আসি- গতকালের খেলায় আমার সমর্থিত জাপান দলের পরাজয়ের বেদনায় নীল হয়ে আছি। আমি একা নই- যাঁরা জাপানের সমর্থন দিয়েছিলেন তাঁদের অনেকেরই হয়তো একই অবস্থা। কেবলমাত্র জাপানের সমর্থকদের ক্ষেত্রেই নয়, প্রতিটি ফুটবল দলের পরাজিত সমর্থকদের বেদনা সম্ভবত এক-ই-রকমের হয়ে থাকে। আর এই বেদনা যদি আমরা অনুভব করতে পারি, তাহলে অন্যকে অথবা প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো দলের সমর্থকদেরকে কথা বা আচরণ দিয়ে আঘাত কিংবা কটাক্ষ করা থেকে বিরত থাকতে পারি।
——————-
(উপরের ছবিটি জাপানের টেলিভিশন থেকে নেয়া। খেলায় হেরে গিয়ে জাপান দলের রক্ষণভাগের তিন নং জার্সির খেলোয়াড়- শোজি’র আক্ষেপ)

 

 

 

 

Be the first to comment on "প্রিয় জাপানের বিদায়।। এশিয়াবাসী হতাশ"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*