শিরোনাম

রমজান মাসে ভৌতিক বিদ্যুত বিল : ষড়যন্ত্র-দুর্নীতি, নাঅন্যকিছু

 

বীরমুক্তিযোদ্ধা কামাল আহাম্মেদ

এই দেশের ৯০%জন মানুষ মুসলমান,মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় অনুশাসন মাহে রমজান, ইসলাম ধর্মের পবিত্র এবাদত,ভোররাতে সেহরী খাওয়ার পর সারাদিন অভূক্ত থেকে সন্ধায় ইফতারের মাধ্যমে মুসলমানরা রোজা পালন করে থাকেন।

ধনী দরিদ্র সকল শ্রেনীর মুসলমাণ একইভাবে রোজা রাখেন। যারা রোজা রাখেন অর্থাৎ রোজাদার ব্যাক্তি, তাকে সমাজ সম্মানজনক চোখে দেখে,সরকারের প্রতিটি সংস্থা রমজান মাসে রোজাদারদের সর্ব্বোচ্য সেবাদানে তৎপর থাকে।

আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ নিম্ম মধ্যবিক্ত শ্রেনীভূক্ত, দারিদ্রতার মধ্যে থেকেই রোজার মাসে একটু ভালভাবে থেকে এবাদত বন্দেগীতে নিয়োজিত থাকতে চায়, তারপর রোজার শেষে মুসলমানদের প্রধান উৎসব ঈদুল ফিতর,তাই প্রতিটি পরিবারকে ঈদে ছেলে মেয়েদের নতূন জামা কাপড় ও একটু ভাল মানের খাবারের জন্য বাড়তি খরচের হিসাব নিকাশ কষতেই হয়।

আর এই বাড়তি খরচের মধ্যে মরার উপর খাড়া ঘায়ের মতো মাথায় চেপে বসেছে পল্লী বিদ্যুতের ভৌতিক বিল, বলা চলে ন্যায্য বিলের চেয়ে ২৫% বাড়তি বিদ্যুত বিল, অনেকের ধারনা মিরকাদিম পৌর সভার অধিকাংশ গ্রাহক এই ভৌতিক বিলের খপ্পরে পড়ে দিশেহারা।

এই বিষয় পল্লী বিদ্যুতের সংশ্লিল্ট লোকজনের সাথে আলাপ করে এই বিষয় কোন সদউত্তর মেলেনি, তারা বলেন যদি মিটার রেডিংয়ের চেয়ে বেশী রেডিংযের বিল করা হয়ে থাকে তাহলে পরবর্তী মাসে সমম্বয় করা হবে, অর্থ্যাৎ পরবর্তী মাসে কম বিল আসবে, তারা আরো বলেন হয়তোবা ক্লোজিং মাস বলে একটু বেশি বিল হয়ে থাকতে পারে।

সবচেয়ে দুঃখজনক হলো অনেক বিক্ষুব্ধ গ্রাহকগন এই বিষয় পল্লী বিদ্যুত অফিসে অভিযোগ করতে গিয়ে এর সমাধান না পেয়ে উল্টো লাঞ্চিত হয়ে বাড়ি ফিরতে হয়েছে।

যাই হোক রমজান মাসে এই ভোঁতিক বিল নিয়ে গ্রাহকদের নানা ধরনের মন্তব্য শোনা যায়, কেহ বলে জনগনের মাঝে সরকারের ইমেজ নষ্ট করতে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এই ভৌতিক বিল তৈরী করছে, কেহ বলছে ঈদ ও রোজার বাড়তি আয়ের জন্য এক শ্রেনীর কর্মচারী এই ভৌতিক বিলে জড়িত আছে, অনেকে আবার বলছে, সরকারের ক্লোজিং বা বাজেটের মাসে বেশী আদায় দেখানোর জন্যই ভৌতিক বিল।

যে যাই বলুক না কেন এই ভৌতিক বিলের বোজা বইতে হচ্ছে সাধারন গ্রাহকদের,আর ইমেজ নষ্ট হচ্ছে সরকারের, তাই আমি মনে করি, বিষয়টি গুরুপ্তসহ বিবেচনা করে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার উচিত এই বিষয তদন্ত্র করে দোষি ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা। যাতে ভবিষ্যতে নিজেদের মর্জি মতো কোন প্রভাবশালী মহল সরকারের নীতিমালা অমান্য করে সাধারন মানুষের উপর ভৌতিক কিছু চাপিয়ে দিতে না পারে।

 

 

Be the first to comment on "রমজান মাসে ভৌতিক বিদ্যুত বিল : ষড়যন্ত্র-দুর্নীতি, নাঅন্যকিছু"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*